খুব শিঘ্রই শ্রীলঙ্কা সফরের আয়োজন করছে বিসিবি

করোনা ভাইরাসের কারনে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের প্রথম রাউন্ড শেষ হলেও স্থগিত হয়েছিলো বাকি ম্যাচ গুলো। তবে এবার স্থগিত হয়ে যাওয়া ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের বাদ বাকি রাউন্ডের খেলা চলতি মৌসুমেই শেষ করতে চাইছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড বিসিবি।

পাশাপাশি চলতি বছরেই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলারও নীতিগত সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে টাইগার প্রশাসন। উদ্ভুত পরিস্থিতিতে প্রিমিয়ার লিগ ফেরাতে তারা চাইছে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব শ্রীলঙ্কা সফর করতে।

কিন্তু আয়োজক যেহেতু লঙ্কান ক্রিকেট বোর্ড সেহেতু তারা কখন চায় সেটাই সর্বাগ্রে বিবেচ্য। তাই তাদের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় টাইগার প্রশাসন।

করোনার প্রবল চোখ রাঙানিতে একে একে পাঁচটি দ্বিপাক্ষিক সিরিজ স্থগিত হয়ে গেছে বাংলাদেশের। পাকিস্তান, আয়ারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের পর সবশেষ শ্রীলঙ্কা সফরটিও বৈশ্বিক মহামারির কবলে পড়েছে।

এশিয়া কাপ, টি-টোয়েন্টি বিশ্ব‌কাপের পরিণতিও তথৈবচ। এতে করে চলতি বছরে আন্তর্জতিক ক্রিকেটহীন হয়ে পেড়েছে টিম বাংলাদেশ।

এই ভাবনা থেকেই হয়ত চলতি বছরেই যেন টাইগাররা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরতে পারেন তার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে অভিভাবক সংস্থা বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড-বিসিবি। এই প্রচেষ্টার ধারাবাহিকতায় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে স্থগিত হয়ে যাওয়া সিরিজটি খেলতে এবছরেই দেশটি সফরের নীতিগত সিদ্ধান্তেও পৌঁছেছে টাইগার প্রশাসন।

দেশের সংবাদ মাধ্যমগুলোর দেওয়া তথ্যমতে সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে সিরিজটি মাঠে গড়ানো নিয়ে ভাবছে বিসিবি। তবে বিসিবি সিইও নিজাম উদ্দিন চৌধুরী সুজন বলছেন, তারা চাইলেই তো আর হবে না, আয়োজক যেহেতু শ্রীলঙ্কান ক্রিকেট বোর্ড সেহেতু তারা কখন চায় সেটাই বিবেচ্য বিষয়। তবে

বিসিবি চাইছে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সিরিজটি যেন মাঠে গড়ায়।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সঙ্গে আলাপকালে নিজাম উদ্দিন চৌধুরী একথা জানান।

তিনি বলেন, ‘বিষয়টা হচ্ছে আমরা চাইলেই তো আর হবে না, আয়োজক হচ্ছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড। মূল বিষয়টা হলো তারা কখন চায়। তবে আমাদের চেষ্টা থাকবে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সফরটা করার জন্য।’

কেন সিরিজটা তাড়াতাড়ি করা প্রয়োজন সেই ব্যখ্যাও দিলেন নিজাম উদ্দিন চৌধুরী, ‘আমাদের যেহেতু লক্ষ্য আছে এবছরের মধ্যে করার আমরা চেষ্টা করব এবছরেই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব করে ফেলার কারণ এরপরে আমাদের ঘরোয়া ক্রিকেট আছে।

সেটা যত তাড়াতাড়ি শুরু করা যায় ততই ভালো। শুরুর একটা ব্যাপারও আছে। তাই ঘরোয়া ক্রিকেট একই সঙ্গে ইন্টারন্যাশনাল কমিটমেন্ট যখন সেটা প্র্যাকটিক্যাল সময়ে সম্ভব সেটাই আমরা করব।’