প্রেমিকের প্রতারণায় যশোরে কলেজছাত্রীর করুণ মৃ’ত্যু

প্রেমিকের প্রতারণার শিকার হয়ে যশোরে এক কলেজছাত্রীর করুণ মৃ’ত্যু হয়েছে। মাহমুদা বিশ্বা’স ঐশী নামের ওই ছাত্রীর স্বজনরা অ’ভিযোগ করেন,

বিয়ের প্রলো’ভন দেখিয়ে প্রেমিক শামীম তার সাথে শারিরিক স’ম্পর্ক গড়ে তোলে। এতে মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে শামীম তাকে বিয়ে না করে গা-ঢাকা দেয়। এঘটনার পর মেয়েটি গুরুতর অ’সুস্থ হয়ে পড়লে মেয়েটিকে হাসপাতালে ভর্তির পর শুক্রবার সকালে তার মৃ’ত্যু ঘটে।

জানা গেছে, সহপাঠীর বড়ভাই যশোর উপশহর এস ব্লকের বাসিন্দা শামীমের সাথে প্রেমে জড়িয়ে পড়েন যশোর উপশহর ডি ব্লকের আসাদুজ্জামানের কন্যা সরকারি এমএম কলেজের স্নাতক সম্মান দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী মাহমুদা বিশ্বা’স ঐশী (১৯)।

বিয়ের প্রলো’ভন দেখিয়ে তার সাথে শারীরীক স’ম্পর্ক গড়ে তোলেন শামীম। একপর্যায়ে ঐশী জানতে পারেন, তিনি অন্ত:স্বত্ত্বা। তখন শামীমকে বিয়ের জন্য অনুরোধ করলে শামীম রাজী না হয়ে গা-ঢাকা দেয়।

এরপরপরই ঐশী গুরুতর অ’সুস্থ হয়ে পড়লে গত বুধবার তাকে নেয়া হয় যশোরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে। সেখানে তাকে দু’দফা অ’স্ত্রপচারের পর রাখা হয় আইসিইউতে। শুক্রবার সকালে মা’রা যান ঐশী।

যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা: নার্গিস আক্তার জানান, জরায়ুর পরিবর্তে পাশের নাড়িতে বাচ্চা ধারন হয়েছে। ঐশীর বয়স কম হওয়ায় পর্যাপ্ত চিকিৎসা দিয়েও বাঁ’চানো যায়নি তাকে।

ঐশীর বাবা আসাদুজ্জামান বলেন, তার মেয়ের এই ক্ষতি করেছে শামিম। আমি তার বিচার চাই।

ঐশীর প্রতিবেশিরা জানান, সহ’জ-সরল ভদ্র মেয়ে ছিলো ঐশী। মিথ্যা প্রলো’ভন দেখিয়ে তাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে শামীম।

এদিকে ঐশীর মৃ’ত্যুর ঘটনায় তার বাবা বাদি হয়ে কোতয়ালি থানায় মা’মলা দায়ের করেছেন। এতে শামীম ছাড়াও তার ভাই নাসিম ও বাবা রওশন আলীকে অ’ভিযুক্ত করা হয়েছে। যশোর

কোতয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ সমীর কুমা’র সরকার জানিয়েছে, তারা শামীমের ভাই নাসিমকে আ’ট’ক করেছে। শামীমকেও আ’ট’কে চেষ্টা চালানো হচ্ছে। শুক্রবার দুপুরে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ঐশীর ময়নাত’দন্ত সম্পন্ন হয়েছে।যেটি।।