১৫ বছরের প্রেমিক ও ১৪ বছরের প্রেমিকার কা’ণ্ড

টাঙ্গাইলের সখীপুরে এক ঘরে বসে একসঙ্গে বিষপান করে ২৩ ঘণ্টার ব্যবধানে প্রেমিক-প্রেমিকার মৃ’ত্যু হয়েছে। বুধবার (১৪ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় প্রেমিক ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাস*পাতালে মা’রা যায়।

এর আগে মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টায় প্রেমিকা টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাস*পাতালে মা’রা যায়। প্রেমিক ইব্রাহিম মিয়া (১৫) ও প্রেমিকা মেঘনা আক্তার (১৪) উপজে’লা ইছাদিঘী দাখিল মাদ্রাসার অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

ইব্রাহিম ইছাদিঘী গ্রামের বাঘবেড় পাড়ার মজনু মিয়ার ছেলে এবং মেঘনা ওই গ্রামের ফজলুল হকের মেয়ে।পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, একই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একই শ্রেণিতে পড়ার সুবাধে তাদের মধ্যে বছরখানেক ধরে প্রেমের স’ম্পর্ক গড়ে উঠে।

মাসখানেক আগে দুই পরিবারের মধ্যেই বিষয়টি জানাজানি হয়। বিষয়টি দুই পরিবার মেনে নিলেও বাল্যবিবাহের কারণে প্রশাসনের চাপে ছেলে-মেয়ের ইচ্ছা পূরণ হয়নি।

পরে মেয়েটি ঈদের দিন রাতে বাড়ির কাউকে না জানিয়ে ছেলের বাড়িতে গিয়ে উঠে। ছেলের পরিবারের পক্ষ থেকে মেনে না নেয়ায় ঈদের পরদিন সকালে ছেলের বাড়িতে উভয়েই বিষপান করে।

পরে ছেলের স্বজনরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাস*পাতালে ও মেয়ের স্বজনরা টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাস*পাতালে নিয়ে যায়। মেয়েটি ওই হাস*পাতালে নেয়ার পর মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টায় মা’রা যায়।

এর ২৩ ঘণ্টা পর বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় ছেলেটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাস*পাতালে মা’রা যায়।স্থানীয় ইউপি সদস্য আবুল কালাম আজাদ বলেন,

দুই পরিবারের সঙ্গে কথা বলে মেয়ের কবরের পাশে ছেলেকেও কবর দেয়ার ব্যবস্থা করা হবে।সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মক’র্তা (ওসি) আমির হোসেন বলেন,

উভয় ঘটনায় পৃথক অ’পমৃ’ত্যু মা’মলা হয়েছে। কী’ কারণে অল্প বয়সের দুটি প্রাণ অকালে ঝরে গেল এ বিষয়ে ত’দন্ত করে দায়ীদের বি’রুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।