এশিয়া কাপ এবং টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সামনেই। তবে খুব একটা স্বস্তিতে নেই বাংলাদেশ টিম ম্যানেজমেন্ট।সাম্প্রতিক ফর্মের উন্নতি ঘটাতে না পারলে বেশ বড় ধরনের লজ্জা অপেক্ষা করছে টাইগারদের জন্য।
বাংলাদেশের বর্তমান টি-টোয়েন্টি দলের ব্যাটিংয়ে প্রায় প্রতিটি বিভাগেই রয়েছে সমস্যা।দুর্বল ওপেনিং পার্টনারশিপ, ফিনিশারের অভাব এবং মিডল অর্ডারেও রয়েছে শূন্যতা।
সাকিব আল হাসান এবং মুশফিকুর রহিমের অন্তর্ভুক্তিতে হয়তো টপ অর্ডার কিছুটা শক্তপোক্ত হবে। তবে অন্যান্য ডিপার্টমেন্ট ঠিকই দুর্বল রয়ে যাবে।
আপাতত মিডিল অর্ডারে ভরসা করার মতো ক্রিকেটার শুধুই আফিফ।নিঃসন্দেহে মিডিল অর্ডারে আরও একজন যোগ্য ব্যাটসম্যানের অভাব রয়েছে।
সেই অভাব পূরণ করতে পারেন মাহমুদুল হাসান জয়। টেস্ট ক্রিকেট দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শুরু করেন জয়। নিউজিল্যান্ড এবং দক্ষিণ আফ্রিকায় বেশ সফলও হয়েছেন এই ক্রিকেটার।
ক্রীজে লম্বা সময়ে পড়ে থাকতে পারেন বলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কিছুটা খ্যাতি ও অর্জন করেছেন। তবে জয় কিন্তু শুধুই টেস্ট মানসিকতার ক্রিকেটার নয়।
অনূর্ধ্ব ১৯ এর সময় থেকেই ওয়ানডেতে বেশ আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করতেন। নিজের সহজাত খেলাকে এক প্রকার পরিবর্তন করে টেস্টের জন্য মানিয়ে নিতে হয়েছে জয়কে।
জয়কে চাইলে অনায়াসেই টি-টোয়েন্টি খেলাতে পারেন নির্বাচকেরা। বিপিএলে বেশ ভালো পারফর্মও করেছিলেন এই ক্রিকেটার। বেশ দ্রুতগতির ব্যাক টু ব্যাক দুটি চল্লিশঊর্ধ্ব ইনিংশও খেলেন বিপিএলে।
অর্থাৎ মিডল অর্ডারে যে আদর্শ ব্যাটিংটা প্রয়োজন তা করতে বেশ সক্ষম জয়।অনূর্ধ্ব ১৯ দলেও মিডল অর্ডারেই খেলতেন এই ক্রিকেটার। জয়কে যদি এখনই না খেলাতে চান নির্বাচকেরা,
তাও তাকে হয়তো দলের সাথে রাখতে হতে পারে। বিশ্বকাপের আগে কেউ চটে পড়লে তখন জয়কে খেলানো ছাড়া হয়তো আর কোনো উপায় থাকবেনা।
এছাড়াও বিশ্বকাপ স্কোয়াডে বিশ্বের প্রতিটি দেশই প্রত্যেক পজিশনের জন্য অতিরিক্ত একজন ক্রিকেটার রাখার চেষ্টা করে। এভাবে চিন্তা করলে জয়কে এখন থেকেই রাডারে রাখা উচিত নির্বাচকদের। তাছাড়া প্রয়োজন পড়লে মিডল অর্ডারের পাশাপাশি ওপেনিংয়ের গুরুদায়িত্বটাও সামলাতে পারবেন জয়।ক্রিকেটার সংকটের এই সময়ে জয় হতে পারে নির্বাচকদের স্বস্তির একটি জায়গা। তবে সবই নির্ভর করবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ‘এ’ দলের বিপক্ষে জয়ের পারফরমেন্সের উপর।