মাঠে ফিরেই বল হাতে আগুন ঝড়ালেন মুস্তাফিজ দেখেনিন সর্বশেষ স্কোর

বল হাতে আবারও চমক দেখালেন কাটার মাস্টার মুস্তাফিজুর রহমান। চলমান বিসিএলে এই পেসারের দাপটে ওয়াল্টন সেন্ট্রাল জোনের রানের লাগাম ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে সাউথ জোন।

বিসিএলের পঞ্চম ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে ওয়াল্টন সেন্ট্রাল জোন ও সাউথ জোন। এদিন টস হেরে ব্যাট করতে নামা সেন্ট্রাল জোনের ওপেনিং জুটিতে প্রথম আঘাত হানেন বাঁহাতি পেসার মুস্তাফিজুর রহমান।

সেন্ট্রাল জোনের ওপেনার মিজানুর রহমানকে রানের খাতা খোলার আগেই সাজঘরে ফেরত পাঠিয়ে দেন মুস্তাফিজ।

ব্যাট হাতে আরেক ওপেনার সৌম্য সরকারকেও সুবিধা করতে দেননি মুস্তাফিজ। ইনিংসের পঞ্চম ওভারে এসেই সৌম্যকে সাজঘরে ফেরত পাঠান এই পেসার। ১৪ বল মোকাবেলায় ৫ রান করে মুস্তাফিজের বলে উইকেটরক্ষক এনামুল হক বিজয়ের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফিরে যান সৌম্য।

দুই ওপেনারকে দলীয় ৯ রানের মাথায় হারিয়ে ফেললেও হাল ধরার চেষ্টা করেন আব্দুল মজিদ ও তাইবুর রহমান। এই দুই ব্যাটসম্যানের ৫০ রানের জুটি বিচ্ছিন্ন হয় কামরুল ইসলাম রাব্বির শিকারে পরিণত হয়ে তাইবুর সাজঘরে ফিরলে। ৩৫ বল মোকাবেলায় ২৩ রান আসে তাইবুরের ব্যাট থেকে।

আব্দুল মজিদের সাথে জুটি গড়ে দলের স্কোর বড় করতে থাকেন মোসাদ্দেক হোসেন। তবে দলীয় ১২৩ রানের মাথায় তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে সাজঘরে ফিরে যান সেন্ট্রাল জোনের আব্দুল মজিদ। ৯৫ বল মোকাবেলায় ৪৬ রানে মেহেদি হাসানের শিকারে পরিণত হন মজিদ।

ধীরে ধীরে অর্ধশতকের দিকে এগিয়ে যেতে থাকা মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতকে প্যাভিলিয়নে ফেরত পাঠিয়ে নিজের তৃতীয় শিকারের দেখা পান মুস্তাফিজ। ৫৭ বল মোকাবেলায় ৪টি চার ও ২টি ছক্কার সাহায্যে ৪৪ রানের ইনিংস খেলেন মোসাদ্দেক।

মুস্তাফিজের সামনে সুবিধা করতে পারেননি আরেক ব্যাটসম্যান জাকের আলি অনিকও। ৮ বল মোকাবেলায় ৪ রান করেই মুস্তাফিজের চতুর্থ শিকারে পরিণত হয়ে মাঠ ছাড়েন এই ব্যাটসম্যান। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত (প্রতিবেদন লেখার সময়) ৪২ ওভার শেষে সেন্ট্রাল জোনের সংগ্রহ ৬ উইকেট হারিয়ে ১৫৩ রান।