নবীনগরে কোরবানির হাটে উঠেছে ‘জায়েদ খান’

ক্রেতাদের কাছে আকর্ষণীয় করতে বড় আকারের গরুগুলোকে ‘বস’, ‘রাজাবাবু’, ‘টাইগারবাবু’সহ নানা ধরনের নাম দিয়ে থাকেন খামারিরা। তবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার লাউরফতেহপুর ইউনিয়নের হাজীপুর গ্রামের খামারি ইউনুস মিয়া এসব নামকেও ছাপিয়ে গেছেন। তিনি নিজের লালন-পালন করা একটি গরুর নাম রেখেছেন ‘জায়েদ খান’।

গত সোমবার (৪ জুলাই) নবীনগর উপজেলার আহাম্মদপুর কোরবানির পশুর হাটে বিক্রির জন্য তোলা হয়েছে জায়েদ খানকে। ষাঁড় গরুটির ওজন ৬০০ কেজিরও বেশি। প্রাথমিকভাবে গরুটির দাম হাঁকা হচ্ছে তিন লাখ টাকা। তবে এদিন বিকেল পর্যন্ত ‘জায়েদ খানের’ দাম উঠেছে এক লাখ ৮০ হাজার টাকা। গরুটি একনজর দেখতে হাটে ভিড় করেন উৎসুক জনতা।

খামারি ইউনুস মিয়া জানান, এবার কোরবানির পশুর হাটে তোলার জন্য তার খামারে ২২টির বেশি গরু লালন-পালন করেছেন তিনি। এরমধ্যে খামারের বড় গরুগুলোকে ক্রেতাদের কাছে আকর্ষণীয় করে তুলতে ‘জায়েদ খান’সহ বিভিন্ন নাম দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এবার ৮০টির মতো কোরবানির পশুর হাট বসবে। এসব হাটে অন্তত ৭০০ কোটি টাকার পশু কেনাবেচা হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এবার জেলাজুড়ে কোরবানির জন্য পশুর চাহিদা আছে এক লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি।