ট্রাকচাপায় পেট ফেটে বের হওয়া শি’শুটির হাত ভে’ঙে গেছে

গতকাল ময়মনসিংহের ত্রিশালে মহাসড়ক পারাপারের সময় ট্রাকচাপায় মায়ের মৃ’ত্যুর ঘটনায় পেট ফেটে বের হওয়া সেই শি’শুটিরও হাত ভে’ঙে গেছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য শি’শুটিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতা’লে পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়টি নিশ্চিত করে ত্রিশাল উপজে’লা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা কর্মক’র্তা (আরএমও) আফসারী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘নি’হ’ত অন্তঃসত্ত্বার প্রসব হওয়া কন্যাসন্তানটি জীবিত আছে। তবে তার একটি হাত ভে’ঙে গেছে। তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতা’লে পাঠানো হয়েছে।’

তিনি বলেন, এক্সরে করার পর নবজাতকের ডান হাতের দুটি অংশে ভাঙা দেখা গেছে। তবে বড় ধরনের কোনো আ’ঘাত নেই বলে মনে হচ্ছে। এর আগে মহাসড়ক পারাপারের সময় ট্রাকচাপায় স্বামী-স্ত্রী’ ও এক শি’শুসন্তান ঘটনাস্থলেই মা’রা যান। তবে নি’হ’ত না’রীর গর্ভে থাকা নবজাতক অলৌকিকভাবে বেঁচে যায়।

গতকাল শনিবার ১৬ জুলাই দুপুর পৌনে ৩টার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের কোর্টভবন এলাকায় এ দু’র্ঘ’ট’না ঘটে। নি’হ’তরা হলেন- স্বামী জাহাঙ্গীর আলম (৪০), তার স্ত্রী’ রত্না বেগম (৩০) ও শি’শু সন্তান সানজিদা (৫)। তাদের বাড়ি ত্রিশাল উপজে’লার রায়মণি এলাকায়।

পু’লিশ সূত্রে জানা যায়, আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী’র আলট্রাসনোগ্রাফি করাতে বাড়ি থেকে ত্রিশাল এসেছিলেন জাহাঙ্গীর। কিন্তু মহাসড়ক পার হওয়ার সময় একটি ট্রাক তাদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই স্বামী-স্ত্রী’ ও শি’শু সন্তানের মৃ’ত্যু হয়। এ সময় ট্রাকের চাপায় জাহাঙ্গীরের স্ত্রী’ রত্না বেগমের পেট ফেটে নবজাতক সন্তানটি বের হয়ে আসে।

এ বিষয়ে ত্রিশাল থা’নার ভা’রপ্রাপ্ত কর্মক’র্তা (ওসি) মোহাম্ম’দ মাইন উদ্দিন বলেন, দু’র্ঘ’ট’নায় মা’রা যাওয়া না’রী ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। ট্রাকের চাপায় তার পেট ফেটে শি’শু সন্তানটি বের হয়ে যায়। তবে শি’শুটি এখনও জীবিত আছে। তাকে প্রথমে কমিউনিটি বেইজড মেডিকেল কলেজ হাসপাতা’লে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য শি’শুটিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতা’লে পাঠানো হয়েছে।