চরম দুসংবাদ, এবার এশিয়া কাপে থেকে ছিটকে গেলেন বিজয়

জিম্বাবুয়ে সফরে একের পর এক ক্রিকেটার চোটে পড়ায় টিম ম্যানেজমেন্টের কপালে দুশ্চিন্তার ভাঁজ পড়েছে আগেই।

বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় চোটে পড়ায় এশিয়া কাপে সেরা দল নিয়ে খেলতে পারছে না বাংলাদেশ।লিটন কুমার দাস,

নুরুল হাসান সোহান ও ইয়াসির আলী রাব্বিকে না পাওয়ায় শক্তিশালী একটি ব্যাটিং লাইনআপ দাঁড় করানো কঠিন হয়ে পড়বে। সাকিবের বিজ্ঞাপন চুক্তির বিতর্ক তো থাকছেই সঙ্গী হয়ে।

যে কারণে একজন সাবেক অধিনায়ক ঠাট্টাচ্ছলে বলেন, ‘এশিয়া কাপে দুটি ম্যাচ খেলতে কোনোরকম একটি দল পাঠালেই হলো।’কেমন দল পাঠাচ্ছে তা জানা যাবে শুক্রবারের মধ্যে।

তবে এনামুল হক বিজয়, নাজমুল হোসেন শান্তকে না রাখার সম্ভাবনা বেশি।যদিও অজানা কারণে কোচ রাসেল ডমিঙ্গোর খুব পছন্দের ব্যাটার শান্ত।

এশিয়া কাপের দল ঘোষণার দিন ছিল ৮ আগস্ট। বিসিবি থেকে অনুরোধ করায় সময় বাড়ানো হয় ১১ আগস্ট পর্যন্ত।এসিসিকে প্রাথমিক দল দেওয়া হলেও চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করতে সময় নিচ্ছে বোর্ড।

বিসিবি ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস জানান, ১২ বা ১৩ আগস্ট স্কোয়াড ঘোষণা করা হবে। এশিয়া কাপের দলে থাকতে পারে একাধিক চমক।

সোহান, লিটন, রাব্বির চোটের কারণে বেশ কয়েকজন ক্রিকেটারের কপাল খুলে গেছে।নাঈম শেখকে নেওয়া হচ্ছে ওপেনিংয়ে। পারভেজ হোসেন ইমন ও মুনিম শাহরিয়ারকেও রেখে দেওয়া হতে পারে।

সৌম্য সরকারের নামও আছে আলোচনায়। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে ‘এ’ দলের হয়ে ওয়ানডে ম্যাচে রান পেলেই ডাক পড়তে পারে বাঁহাতি এ ব্যাটারের।

এশিয়া কাপ দিয়ে টি২০ দলে ফেরানো হচ্ছে মুশফিকুর রহিমকে।বোলিং বিভাগে কিছু পরিবর্তন আনা হতে পারে। বিশ্রাম দেওয়া হতে পারে বাঁহাতি পেসার শরিফুল ইসলাম ও তাসকিন আহমদেকে।

মুস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে হাসান মাহমুদ, এবাদত হোসেন, মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরীকে নেওয়া হতে পারে। খুলনায় বাংলাদেশ টাইগারের হয়ে প্রস্তুতি ম্যাচে ভালো করলে স্কোয়াডে রাখা হবে অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনকে।

এশিয়া কাপের দল ঘোষণার চেয়েও বেশি আগ্রহ অধিনায়ক নিয়ে। সাকিব আল হাসানকে টি২০র নেতৃত্বে ফেরানো হচ্ছে কিনা সেটা দেখার বিষয়। যদিও বাঁহাতি এ অলরাউন্ডার অনেক আগেই মিটিং এবং সেটিং দিয়ে নেতৃত্ব পাকা করে রেখেছেন।এখন শুধু আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া বাকি।