‘এ’ দলের দায়িত্বও পালন করতে হবে ডমিঙ্গোকে

রাসেল ডমিঙ্গো চেয়েছিলেন জাতীয় দলের সিরিজভিত্তিক কাজ করতে। গত কয়েকটি সিরিজে সে প্র্যাকটিসও করতে দেখা গেছে তাঁকে।

কিন্তু বিসিবি চেয়েছিল, সিরিজের বাইরেও ক্রিকেটারদের উন্নতিতে মনোযোগ দেন প্রধান কোচ। ছুটিছাটা কাটিয়ে ঢাকায় ফিরে মুমিনুল হকদের নিয়ে কাজ করেন তিনি।

ডমিঙ্গো তাতে গড়িমসি করায় বিকল্প পথ বেছে নিয়েছে বিসিবি। টাইগার প্রধান কোচের দায়িত্ব কমিয়ে দিয়েছে টি২০-এর কোচিং থেকে বাদ দিয়ে।

এখন থেকে কাগজে কলমে টেস্ট আর ওয়ানডে দলের কোচ তিনি। এই দুই সংস্করণে দলের উন্নতির জন্য পরিকল্পনা চাওয়া হয়েছে তাঁর কাছ থেকে।

টেস্ট দলের উন্নতির রূপরেখা তৈরি করতে জাতীয় লিগ ও বাংলাদেশ ‘এ’ দলের খেলা দেখার অ্যাসাইনমেন্ট পেয়েছেন ডমিঙ্গো।ডিসেম্বরের আগে ওয়ানডে ও টেস্ট দলের কোনো খেলা নেই।

বিরতির এই সময়ে ক্রিকেটারদের নিয়ে কাজ করবেন ডমিঙ্গো। বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন গতকাল সংবাদ সম্মেলনে বলেন,

‘শ্রীরাম শ্রীধরনকে আমরা টি২০-এর টেকনিক্যাল কনসালট্যান্ট করেছি। ডমিঙ্গোকে আমাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাও জানিয়েছি। তিনি তিন সপ্তাহের মধ্যে একটা পরিকল্পনা দিতে যাচ্ছেন।

দলের উন্নতির জন্য এনসিএল আর ‘এ’ দলের ম্যাচ দেখতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তিনি। জাতীয় দলে নেই এমন ক্রিকেটারদেরও দেখবেন তিনি।’২০১৯ সালে জাতীয় দলের কোচ হিসেবে ডমিঙ্গোকে নিয়োগ দেওয়ার সময়ও বিসিবি জানিয়েছিলেন, প্রধান কোচ ঘরোয়া লিগের ম্যাচ দেখে প্রতিভাবান ক্রিকেটারদের বেছে নেবেন।

শুরুতে শ্রীলঙ্কা গিয়ে ‘এ’ দলের খেলাও দেখেছেন তিনি। তবে মিরপুরের বাইরে গিয়ে ঘরোয়া ক্রিকেট দেখা হয়নি তাঁর। ছুটিতে থাকাকালে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের খোঁজখবর রাখেননি এ বছর।

হঠাৎ করে চাকরি নড়বড়ে হয়ে পড়ায় প্রায় তিন বছর আগের প্রতিশ্রুতিতে ফিরে যেতে চাচ্ছেন ডমিঙ্গো। ঘরোয়া ক্রিকেটে মাঠে যেতে চান তিনি। গতকাল অফিসিয়াল সংবাদ সম্মেলনে ডমিঙ্গো বলেন, ‘আমি এ দলের সঙ্গে দুবাই যাব। ওখানে অনেক টেস্ট ক্রিকেটার খেলবে। তামিম, মুমিনুল, শান্ত, রাব্বি খেলায় নেই লম্বা সময়। এটা তাদের জন্য দারুণ একটা সুযোগ। নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে এনসিএলের ম্যাচ দেখব। আপাতত এটাই আমার পরিকল্পনা।’