শা’রীরিক মিলনের যে নিয়ম ই’স’লা’মে নিষিদ্ধ !!

ইদানীং না’রী পুরুষের বিবাহিত সে;ক্সুয়াল লাইফ এ কিছু কিছু সমস্যা প্রকট আকারে সামনে চলে এসেছে। বিবাহিত জীবন গড়াচ্ছে ডিভোর্স পর্যন্ত। অস্বাভাবিক সেক্সুয়াল লাইফের বলি হিসেবে মহিলারা মা’রাত্মক স্বাস্থ্য সমস্যা পি, আই, ডিতে ভুগছেন।

আসুন আজ আম’রা স;হবা;সের স্বাভাবিক পন্থাগুলো জেনে নেই।সহ;বা;সের স্বাভাবিক পন্থা হলো এই যে, স্বামী উপরে থাকবে আর স্ত্রী’ নিচে থাকবে। প্রত্যেক প্রা’ণীর ক্ষেত্রেও এই স্বাভাবিক পন্থা পরিলক্ষতি হয়। এ দিকেই অ’ত্যন্ত সুক্ষভাবে ইঙ্গিত করা হয়েছে পবিত্র কুরআনে।আয়াতের অর্থ হলোঃ ‘যখন স্বামী-স্ত্রী’কে ঢেকে ফেললো তখন স্ত্রী’র ক্ষী;ণ গর্ভ সঞ্চার হয়ে গেলো।’আর স্ত্রী’ যখন নিচে থাকবে এবং স্বামী তার উপর উপুড় হয়ে থাকবে তখনই স্বামীর শ;রীর দ্বারা স্ত্রী’র শ;রীর ঢাকা পড়বে। তাছাড়া এ পন্থাই সর্বাধিক আরাম’দায়ক। এতে স্ত্রী’রও ক’ষ্ট সহ্য করতে হয় না এবং গর্ভধারণের জন্যেও তা উপকারী ও সহায়ক।

বিখ্যাত চিকিৎসা বিজ্ঞানী বু-আলী ইবনে সীনা তার অম’র গ্রন্থ “কানুন” নামক বইয়ে এই পন্থাকেই সর্বো;ত্তম পন্থা হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং ‘স্বামী নিচে আর স্ত্রী’ উপরে’ থাকার পন্থাকে নি;কৃষ্ট পন্থা বলেছেন।কেননা এতে পুং;লিংগে বী;র্য আ’ট’কে থেকে দুর্গ;ন্ধ যু’ক্ত হয়ে ক’ষ্টে;র কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই অবশ্যই আমাদের লক্ষ্য রাখতে হবে যেন আনন্দঘন মুহুর্তটা পরবর্তিতে বেদনার কারণ হয়ে না দাড়ায়।স্বামী-স্ত্রী’ স;হবা;সে উভয়ের বী;র্য বাহির হওয়ার পর কিছু সময় নড়াচড়া না করে মিলিত অবস্থায় থাকতে হবে। অর্থাৎ স্ত্রী’ নীচে এবং স্বামী উপরে থাকবে। তাতে বী;র্য জ;রায়ু;তে ঠিক মত প্রবে;শ করতে সুবিধা হয়। তা না হলে বী;র্য বাহিরে পড়ে যেতে পারে। আর বীর্য বাহিরে পড়লে গ;র্ভ সঞ্চার হয় না।

স;হবা;সের পর হালকা গরম পানি দিয়ে স্বামী স্ত্রী’র দুই জনের যৌ;না;ঙ্গ ধুয়ে ফেলতে হয়। ঠাণ্ডা পানিতে ধোয়া উচিৎ নয়। তারপর স্বামী স্ত্রী’ দুইজনে কিছু মধু সেবন করে নিবেন। তারপর দুই জনে ফরজ গোসল করে ফযরের নামাজ আদায় করে নিবেন।সকল নেয়ামতের মধ্যে সবচাইতে তীব্র আনন্দের নেয়ামত স্বামী-স্ত্রী’র স;হবা;স। স্বামী-স্ত্রী’র স;হবা;সের মাধ্যমে মানুষ পৃথিবীতেই জান্নাতের সুখের কিঞ্চিত নিদর্শন পেয়ে থাকে।

আল্লাহ স;হবা;সের আহবায়ক করেছেন পুরুষ মানুষকে। সাধারণত স্ত্রী’ লাজুক স্বভাবের হয়ে থাকে এবং সহ’জাতভাবে স;হবা;সের জন্য তাড়িত হয় না।কেবলমাত্র যখন তার স্বামী তাকে বুকে টেনে নেয় ও নানাবিধ উপায়ে আদর-সোহাগ করতে থাকে, তখনই স্ত্রী’র দে;হ-মনে স;হবাসে;র কা’মনা জেগে উঠে।

স্বামীর পু;রুষা;ঙ্গ স্বাভাবিক অবস্থায় নরম থাকে ও সহ;বাসকা;লীন যো;নিগ;হবরে প্রবেশের উপ;যু;ক্ততা অর্জনের জন্য শ;ক্ত হয়। এ সময় তা নরম অবস্থার চাইতে কারও ক্ষেত্রে ছোট হয়, কারও ক্ষেত্রে অ’পরিবর্তিত থাকে, তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে কিঞ্চিত বর্ধিত হয়।সূরা আল-আলাক্বে বর্ণনা অনুযায়ী আল্লাহ মানুষকে এ;কফোঁ;টা বী;র্য থেকে সৃষ্টি করেন। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের মতে এক থেকে তিন মি;লিলিটার পরিমাণ ;বী;র্যপা;ত হয়, যা ঘনীভূত হয়ে থাকে বলে এক ফোঁটার ন্যায় দেখায়, যা ‘পবিত্র কোআন’-এর বর্ণনার সাথে একেবারে মিলে যায় এবং ‘পবিত্র কোরআন’এর সত্যতা প্রমাণ করে।

তবে অনেক স্বামীর বী;র্যের পরিমাণ বেশি এবং এমনকি দশ-বারো ফোঁটা পর্যন্ত বী;র্যও স’হবাসে নির্গত হতে পারে। তবে সন্তান জন্ম’দানে ব্যয় হবে এক ফোঁটাই, বাকি অংশ স্ত্রী’;র গর্ভে শুকিয়ে যাবে।স’হবাসকে সার্থক ও আনন্দদায়ক করে তুলতে স্বামী-স্ত্রী’ উভয়েরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে।স্ত্রী’ যদি অ;কা;র্যকর হয়ে কেবল পড়ে থাকে, স্বামীর সাথে সাথে নিজের মত করে অগ্রসর না হয়, তাহলে সেই স;হবা;সে স্ত্রী’ও আনন্দ পায় না, স্বামীও স্ত্রী’র প্রতি অসন্তু;ষ্ট হয়ে পড়ে, এমনকি পরনা’রীর প্রতি আ;কর্ষ;ণ পর্যন্ত এভাবেই জন্মায়।তাই স;হবাসকা;লীন স্ত্রী’র করণীয় স’ম্প’র্কে ওয়াকিবহাল থাকা সকল না’রীরই কর্তব্য।

স’হবাস অন্তে স্বামী অ’ত্যন্ত ক্লান্ত হয়ে পড়ে এমনকি কথা বার্তাও বলা থেকে বিরত থাকতে পারে। এই সময় স্বামীকে মিষ্টি দুগ্ধজাতীয় কোন খাদ্য দিলে স্ত্রী’র প্রতি তার মহব্বত অ’ত্যন্ত বৃদ্ধি পায়। স’হবাসের পূর্বেই এই খাবারের ব্যবস্থা রাখবে। স্বামীর গায়ে হাত বুলিয়ে দিবে। স্বামীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে চুম্বন করবে।প্রথম কয়েকদিনেই জেনে নিবে কোন স্থানে চুম্বন ও স্প’র্শ স্বামীর পছন্দনীয়। ওই সমস্ত স্থানে অধিক মনোযোগ দিবে কিন্তু অবশিষ্ট শরীরেও সোহাগ করবে। তবে না’রীসুলভ কোমলতায়। স্বামী উগ্রভাবে আদর করলেও স্ত্রী’র উচিত হবে স্প’র্শে কোমলতা বজায় রাখা।

তবে চুম্বনে স্বামীর সাথে সমভাবে অংশগ্রহণ করবে এমনকি চুম্বনের প্রতিযোগিতা করবে। স্বামীকে আদরের সময় মৃদুভাবে অণ্ডথলিতে স্প’র্শ করে রাখলে স্বামী স্ত্রী’র ভক্ত হয়ে যায়। তবে সাবধান থাকবে, কেননা অণ্ডোথলি অ’ত্যন্ত স্প’র্শকাতর ও অ’তি মৃদু আ’ঘাতেও মা’রাত্মক য’ন্ত্র’ণা হতে পারে।

ভিডিওটি দেখু’ন
স্বামীর আনন্দ স্ত্রী’র যো’নিগহবরে প্রবেশের মাধ্যমে। কিন্তু স্বামী অনেক সময় জানে না যে স্ত্রী’র আনন্দ স’হবাসের পূর্বে আদর সোহাগে। তাই এই বিষয়ে অসন্তুষ্টি থাকলে স্বামীকে খুলে বলতে হবে এবং নিজের চাহিদা স্বামীর গোচরে আনতে হবে।২৫ বছরের কম বয়সী পুরুষ সাধারনত বেশি সময় নিয়ে মিলন করতে পারে না। তবে তারা খুব অল্প সময় ব্যাবধানে পুনরায় উত্তেজিত/উত্তপ্ত হতে পারে। ২৫ এর পর বয়স যত বাড়বে মিলনে পুরুষ তত বেশি সময় নেয়।

কিন্তু বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে পুনরায় জাগ্রত (ইরিকশান) হওয়ার ব্যাবধানও বাড়তে থাকে। এক না’রী কিংবা একপুরুষের সাথে বার বার মিলন করলে যৌ’ন মিলনে বেশি সময় দেয়া যায় এবং মিলনে বেশি তৃপ্তি পাওয়া যায়। কারন স্বরুপ: নিয়মিত মিলনে একে অ’পরের শরীর এবং ভাললাগা/ মন্দলাগা, পছন্দসই আসনভঙ্গি, সুখ দেয়া নেয়ার পদ্ধতি ইত্যাদি স’ম্প’র্কে ভালভাবে অবহিত থাকে।যারা বলেন “এক তরকারী দিয়ে প্রতিদিন খেতে ভাল লাগে না – তাই পর না’রী ভোগের লালসা” – তাদেরকে অনুরোধ করছিঃ দয়াকরে মিথ্যাচার করবেন না। এমন যু’ক্তি ভিত্তিহীন। পরকীয়া আমাদের সমাজ ব্যবস্থাকে ধ্বংস করছে।

মাত্র কয়েক মিনিটের কা’ম যাতনা নিবারনের জন্য আজীবনের স’ম্প’র্কে অবিশ্বা’সের কালো দাগ লাগাবেন কেন? আজকালকের দিনে এমনকি আমাদের দেশের ১০-১২ বছরের ছে’লে-মেয়েরা পর্যন্ত জেনে যাচ্ছে কিভাবে সেক্স করতে হয়।তাই বলা যায় বিয়ে তো বহুদূরের কথা, এখনকার ছে’লেমেয়েদের গার্লফ্রেন্ড-বয়ফ্রেন্ড হওয়ার আগেই তারা এ বিষয়ে বহু কিছু জানে। ঠোট না’রীদেহের সবচাইতে যৌ’নত্তে’জক অঙ্গ’গুলোর মধ্যে একটি। ঠোটের মাধ্যমেই সমগ্র না’রীদেহ উ’ত্তে’জ’নার সূচনার সবচেয়ে জো’রালো সংকেতটি গ্রহন করে থাকে।

মেয়েটি তার সঙ্গীর গালে, গলায়, বুকে, কান এদের স্প’র্শ করলে ছে’লেটি যেমন আনন্দ পায়, তেমনি মেয়েটিও অন্যরকম এক আনন্দ লাভ করে। অনেক প’র্ন মুভিতে দেখা যায় যে সেখানে মেয়েগুলো ছে’লেদের লি’ঙ্গ চুষতে খুব পছন্দ করে। বিদেশে বাস্তবেও অনেক মেয়েই ছে’লেদের লি’ঙ্গ শুধু তাকে আনন্দ দেওয়ার জন্যই চুষে না। সে নিজেও এতে আনন্দ পায়।এর মূল কারনই হল তার ঠোট ও জিহবার স্প’র্শকাতরতা। ছে’লেটির দেহের অন্যান্য অংশে এ দুটি দিয়ে স্প’র্শ করে সে যে আনন্দ লাভ করে, একই কারনে নিজের ছে’লেটির লি’ঙ্গের স্প’র্শে তার আনন্দ হয়। মেয়েদের যৌ’ন চাহিদা ছে’লেদের ৪ ভাগের এক ভাগ।

কি’শোরী এবং টিনেজার মেয়েদের যৌ’ন ইচ্ছা সবচেয়ে বেশী। ‘ই’স’লা’মে না’রীদের যৌ’ন চাহিদার কোন মূল্য নেই’ ‘ই’স’লা’মে পুরুষকে স্ত্রী’র ওপর যথেচ্ছ যৌ’নাচারের ফ্রি লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে’ ‘ই’স’লা’মে যৌ’ন অধিকার একতরফাভাবে পুরুষকে দেওয়া হয়েছে’ এই জাতীয় অ’ভিযোগ সুস্থবুদ্ধিসম্পন্ন কেউ আশা করি করবেন না।

সূরা বাকারার (২২৩)- নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে-তোমাদের স্ত্রী’রা হলো তোমাদের জন্য শস্য ক্ষেত্র। তোম’রা যেভাবে ইচ্ছা তাদেরকে ব্যবহার কর।ম’দি’নার ইহুদিদের মধ্যে একটা কুসংস্কার এই ছিল যে, কেউ যদি তার স্ত্রী’র সাথে পেছন দিক থেকে যো’নিপথে সঙ্গম করত তবে বিশ্বা’স করা হতো যে এর ফলে ট্যারা চোখবিশিষ্ট সন্তানের জন্ম হবে। ম’দি’নার আনসাররা ই’স’লা’মপূর্ব যুগে ইহুদিদের দ্বারা যথেষ্ট প্রভাবিত ছিল। ফলে আনসারগণও এই কুসংস্কারে আচ্ছন্ন ছিলেন।

ম’ক্কাবাসিদের ভেতর এই কুসংস্কার ছিল না। ম’ক্কার মুহাজিররা হিজরত করে ম’দি’নায় আসার পর, জনৈক মুহাজির যখন তার আনসার স্ত্রী’র সাথে পেছন দিক থেকে সঙ্গম করতে গেলেন, তখন এক বিপত্তি দেখা দিল।আনসার স্ত্রী’ এই পদ্ধতিকে ভুল মনে করে জানিয়ে দিলেন রাসূলুল্লাহ (সা:)- এর অনুমতি ব্যতিত এই কাজ তিনি কিছুতেই করবেন না। ফলে ঘটনাটি রাসূলুল্লাহ (সা:) পর্যন্ত পৌঁছে গেল।

এ প্রসঙ্গেই কুরআনের আয়াত (২:২২৩) নাযিল হয়, যেখানে বুঝানো হচ্ছে- সামনে বা পেছনে যেদিক দিয়েই যো’নিপথে গমন করা হোক না কেন, তাতে কোন সমস্যা নেই। শস্যক্ষেত্রে যেদিক দিয়ে বা যেভাবেই গমন করা হোক না কেন তাতে শস্য উত্পাদনে যেমন কোন সমস্যা হয় না, তেমনি স্বামী তার স্ত্রী’র ‘যো’নিপথে যেদিক দিয়েই গমন করুক না কেন তাতে সন্তান উত্পাদনে কোন সমস্যা হয় না এবং এর সাথে ট্যারা চোখবিশিষ্ট সন্তান হবার কোন স’ম্প’র্ক নেই।

বিয়ের পর প্রথম কিছুদিন স্বাভাবিক নিয়মে সহ’বাস করার পর ভিন্ন ভিন্ন আসনে চেষ্টা করে দেখতে হবে নিজেদের সবচাইতে উপযু’ক্ত আসন কোনটি এবং কোন আসনে পরস্পরের সর্বাধিক সুখ বোধ হয়। তারপর সেই আসনেই সর্বদা মিলিত হবে। কেননা ভিন্ন ভিন্ন আসনে স’হবাস অনেক সময় দাম্পত্য জীবনে পারস্পরিক লজ্জার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।স্বামী আনন্দ পাচ্ছে, কিন্তু স্ত্রী’ সুখ বোধ করছে না, অথবা স্ত্রী’ সন্তুষ্ট, কিন্তু স্বামী সুখী নয়, এরূপ আসন নির্বাচন করা যাবে না। তাতে দাম্পত্য জীবনে আনন্দের ঘাটতি দেখা দিবে।স্বামী কোন নির্দিষ্ট আসনে সহ’বাস না করে প্রায়ই ভিন্ন ভিন্ন আসনে স’হবাস করে, এরূপ হলে স্ত্রী’র বুঝতে হবে সে স্বামীকে পূর্ণাঙ্গরূপে তৃপ্ত করতে পারছে না, যা একজন পুরুষ চায়। তখন স্বামীকে পূর্ণ তৃপ্তি দিতে সচেষ্ট হতে হবে।

হযরত মুহম্ম’দ (সঃ) আরো বলেছেন, জানোয়ারের মত হঠাত করে স্ত্রী’র উপর কেউ ঝাঁপিয়ে পড়বে না, বরং তার উচিত হলো প্রথমে চুমু খেয়ে আলি’ঙ্গন করে এবং মিষ্টি মধুর কথায় তাকে আগ্রহী করে তোলা।বীর্যপাতের পর সাথে সাথে স্বামী সরে যাবে না বরং ঐ অবস্থাতেই কিছুক্ষণ পড়ে থাকবে। যাতে স্ত্রী’র চাহিদা পুরা হয়ে যায়। কেননা কোন কোন মহিলার বীর্যপাত দেরীতে হয়। তারপর স্বামী-স্ত্রী’ উভয়েই আলাদা আলাদা কাপড় দিয়ে লজ্জাস্থান মুছে পৃথক হয়ে যাবে।আমি দুনিয়ার সম্পদ চাই না , আমা’র স্বামীকে চাই –এ সব কথা যে স্ত্রী’ বলেন তিনি কি সুখী না অ’সুখী ? যে কোন বিবেকবান মানুষ বলবেন এসব স্বামী গর্বে গর্বিতা সুখী স্ত্রী’র মনের কথা ।

বাইবেলের পুরাতন সমাচারে আছে স্রষ্টার ছে’লে দাউদ বৃদ্ধ বয়সে মৃ’ত্যুশয্যায় শুয়ে অল্পবয়সের কুমা’রীকে বিয়ে করেছিলেন । এটা প্রমাণ করে যে মেয়ের বয়স কম হওয়া বা স্বামী – স্ত্রী’র মধ্যে বয়সের ব্যবধান বেশী হলেও সেটা ইয়াহুদী বা খ্রিস্টানদের বিয়েতে কোন বাধা নয়।খ্রিস্টানদের প্রভু যিশুর কুমা’রী মা মেরীর সাথে জোসেফের যখন বিয়ে হয় , তখন সেই যুগের রীতি অনুসারে মেরীর বয়স খুব বেশী হলে ১৩/১৪ ছিল ; জোসেফের বয়স ছিল ত্রিশের বেশী ।আল্লাহ তাআলা আমাদের ই’স’লা’মী নিয়মানুযায়ী চলার তৌফিক দান করুন।