বিয়ের দেড় মাসের মাথায় সম্পর্কে ভাঙন, আলাদা থাকছেন টুটুল-সোনিয়া

স্ত্রী তানিয়াকে ডিভোর্স দিয়ে কণ্ঠশিল্পী এস আই টুটুল গত ৪ জুলাই বিয়ে করেছেন আমেরিকার নিউইয়র্কে বসবাসরত টেলিভিশন উপস্থাপিকা শারমিনা সিরাজ সোনিয়াকে।

তবে বিয়ের খবরের মাস দেড়েক পরে জানা গেল ভিন্ন কথা। সোনিয়া ও টুটুল একসঙ্গে থাকছেন না।টুটুল বসবাস করছেন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে আর সোনিয়া নিউ ইয়র্কেই।

সোনিয়া কোনোভাবেই নিউ ইয়র্ক ছাড়বেন না। কেননা সেখানেই তার ক্যারিয়ার অন্যদিকে টুটুল ব্যবসার কাজে ছাড়তে হয়েছে নিউ ইয়র্ক।

যদিও এমনটাই শোনা যাচ্ছে, তবে নববিবাহিত এই দুজনের সম্পর্কের মধ্যে চিড় ধরেছে। সোনিয়ার কাছে ব্যবসার জন্য টাকা চাওয়ায় সোনিয়া টাকা দেননি টুটুলকে।

শুধু তাই নয় সোনিয়া ও টুটুলের আইনগত বিয়ে নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। নিউইয়র্কে বসবাসরত একাধিক সূত্র জানায়, টুটুল রেজিস্ট্রি ছাড়াই বাসায় হুজুর ডেকে এনে শারমিনা সিরাজ সোনিয়াকে বিয়ে করেন।

বিয়ের পর কিছুদিন একসঙ্গে থাকলেও হঠাৎ করেই সোনিয়াকে রেখে নিউইয়র্ক ছেড়ে ফ্লোরিডাতে চলে গেছেন।জানা গেছে, সোনিয়াকে কিছু না বলেই টুটুল গত ১ আগস্ট বাসা থেকে চলে যান।

এখন দুজনের মধ্যে যোগাযোগও নেই।এস আই টুটুল টুটুলের দ্বিতীয় স্ত্রী সোনিয়া বলেন, ‘আমরা রেজিস্ট্রি করে বিয়ে করিনি। বাসায় হুজুর ডেকে এনে দুজন দুজনকে বিয়ে করেছি।

আমেরিকাতে রেজিস্ট্রি করে বিয়ে করতে হলে অনেক নিয়ম-কানুন মানতে হয়। টুটুল আর আমি একসঙ্গে থাকছি না। টুটুল কিছু করতে চায়।

পরিবারের জন্য টাকা পয়সা রোজগার করবে, তাই মনে হয় সে ফ্লোরিডাতে থাকছে।এই উপস্থাপিকা বলেন, টুটুল আমাকে বাংলাদেশেও নিয়ে যেতে চেয়েছে।

ফ্লোরিডাও থাকতে বলেছে। কিন্তু আমিতো নিউইয়র্কে ভালো চাকরি করছি। এখানে আমার প্রতিষ্ঠিত ক্যারিয়ার। আমার ছেলে রয়েছে। আমি চাইলেই তো কোথাও যেতে পারি না।

টুটুলের গ্রিনকার্ড এখনো হয়নি। আবার ওর ছেলেকেও বাংলাদেশ থেকে এখানে নিয়ে আসার চেষ্টা করছে।সোনিয়া আরও বলেন, রেজিস্ট্রি বিয়ের আগে আমরা একসঙ্গে থাকব না। কারণ, আমাদের পরিবার আছে। এখানে আরও অনেক ব্যাপার আছে।এদিকে তানিয়ার সঙ্গে নাকি আইনগতভাবে টুটুলের বিচ্ছেদই হয়নি, এমনটাই জানাচ্ছে টুটুলের ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো।