তানিয়ার ২৩ বছরের সংসার ভাঙার পর টুটুলের দ্বিতীয় বিয়ে টিকলো না ২ মাসও

এস আই টুটুল ও তানিয়া আহমেদ; শোবিজ জগতে তারা পরিচিত ছিলেন ‘হ্যাপি কাপল’ নামে। দুই দশকের বেশি সময় ধরে সংসার করেছেন।

ভক্তদের কাছেও তাদের গ্রহণযোগ্যতা দারুণ। কিন্তু গত বছর দাম্পত্য জীবনের লম্বা পথচলায় ছেদ টানেন তারা।

বিচ্ছেদের ৮ মাস পর আবার বিয়ে করেছেন টুটুল। নতুন করে টুটুলের মনে জায়গা করে নেন যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী উপস্থাপিকা শারমিন সিরাজ সোনিয়া।

কিন্তু সেই সংসার টিকলো না দুই মাসও। তারা আলাদা থাকা শুরু করেছেন এরই মধ্যে।টুটুল ও তানিয়া বিয়ে করেছিলেন ১৯৯৯ সালে। এরপর থেকে সুখেই সংসার করে আসছিলেন।

তাদের ঘর আলো করে পৃথিবীতে আসে দুই ছেলে ও এক মেয়ে। তিন সন্তানকে নিয়ে তানিয়া-টুটুলের সুখের অন্ত ছিল না।কিন্তু সম্পর্কের মসৃণ পথেও বিষাদের কাঁটা গজায়।

সেই কাঁটায় ক্ষত-বিক্ষত হয় ভালোবাসা। ঘনিয়ে আসে বিরহ-বিচ্ছেদের সুর। টুটুল ও তানিয়ার ক্ষেত্রেও ব্যাপারটা একই। একসঙ্গে দীর্ঘদিন সংসার করার পর তাদের মনে হয়েছে, সম্পর্কটা ঠিক আগের মতো নেই।

এটাকে টেনে নেওয়াও দু’জনের পক্ষে সম্ভব নয়। তাই বিচ্ছেদের স্টেশনে নেমে দু’জন দুদিকে এগোলেন।টুটুল গত ৪ জুলাই নতুন সংসার পেতেছেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী শারমিন সিরাজ সোনিয়ার সঙ্গে।

টুটুলের মতো সোনিয়ারও দ্বিতীয় বিয়ে এটি। সম্প্রতি জানা যায়, টুটুল রেজিস্ট্রি ছাড়াই বাসায় হুজুর ডেকে এনে শারমিনা সিরাজ সোনিয়াকে বিয়ে করেন।

বিয়ের পর কিছুদিন একসঙ্গে থাকলেও হঠাৎ করেই সোনিয়াকে রেখে নিউইয়র্ক ছেড়ে আমেরিকার ফ্লোরিডাতে বসবাস করছেন এই গায়ক।শুধু এখানেই শেষ নয়, বিয়ের পর টুটুল তার স্ত্রী সোনিয়ার কাছে ব্যবসার কথা বলে টাকার জন্য বারবার চাপ দেন। এতে সোনিয়ার মনে সন্দেহ দানা বাধায় টাকা দিতে রাজি হননি।

এরপর টুটুল কাউকে কিছু না বলেই ১ আগস্ট বাসা থেকে উধাও হয়ে যান। এখন দুজনের মধ্যে যোগাযোগও নেই।এ ব্যপারে সোনিয়ার ভাষ্য- আমরা রেজিস্ট্রি করে বিয়ে করিনি। বাসায় হুজুর ডেকে এনে দুজন দুজনকে বিয়ে করেছি। আমেরিকাতে রেজিস্ট্রি করে বিয়ে করতে হলে অনেক নিয়ম-কানুন মানতে হয়।

টুটুলের আগের স্ত্রীকে নাকি ডিভোর্স সংক্রান্ত কি ঝামেলা আছে এখনো। এ ছাড়া, আরো কিছু জটিলতা থাকায় টুটুল রেজিস্ট্রি করেনি। টুটুল আর আমি একসঙ্গে থাকছি না। টুটুল কিছু করতে চায়। পরিবারের জন্য টাকা পয়সা রোজগার করবে,

তাই মনে হয় সে ফ্লোরিডাতে থাকছে।তিনি বলেন, টুটুল আমাকে বাংলাদেশেও নিয়ে যেতে চেয়েছে। ফ্লোরিডাও থাকতে বলেছে। কিন্তু আমিতো নিউইয়র্কে ভালো চাকরি করছি। এখানে আমার প্রতিষ্ঠিত ক্যারিয়ার। আমার ছেলে রয়েছে। আমি চাইলেই তো কোথাও যেতে পারি না। টুটুলের গ্রিনকার্ড এখনো হয়নি। আবার ওর ছেলেকেও বাংলাদেশ থেকে এখানে নিয়ে আসার চেষ্টা করছে।তবে এ ব্যপারে টুটুলের কাছ থেকে এখনো কোন মন্তব্য জানা যায়নি।