বিশ্ব মঞ্চে দেশি তারকারা

তাদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ এপার বাংলা থেকে ওপার বাংলা। কাঁটাতারের সীমানা পেরিয়ে বাড়ছে তাদের ভক্তের সংখ্যা। বলছি বাংলাদেশের বিনোদন জগতের দুই তারকা চঞ্চল চৌধুরী ও আজমেরি হক বাঁধনের কথা।

দুই বাংলার ওটিটিতে সাড়া জাগানোর পর এবার তারা পা রাখতে চলেছেন বিশ্ব প্লাটফর্মে। শিগগিরই আসতে চলেছে বড় কিছু সুখবর।বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী।

ছোটপর্দা থেকে বড়পর্দা যিনি মাতিয়ে রেখেছেন প্রায় একযুগ ধরে। সেই ধারাবাহিকতায় এবার চমক দেখিয়েছেন ওটিটিতেও। কিছুদিন আগে হইচই এ মুক্তি পেয়েছে ওয়েব সিরিজ ‘কারাগার’। মুক্তির পর থেকেই দর্শকদের প্রশংসার ভাসছেন এ অভিনেতা। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় পরিচালক সৃজিত মুখার্জিও যোগ দিয়েছেন সেই দলে।

তবে শুধু ওপার বাংলায় নয়, চঞ্চল চৌধুরীর অভিনয় নিয়ে আলোচনা হচ্ছে বলিউডেও। ইতোমধ্যে তাকে নিয়ে ভারতীয় নির্মাতারা আলোচনা শুরু করেছেন। সে আলোচনায় যেন আরও বাড়ালেন ওটিটি প্ল্যাটফর্ম ‘ডিজনি+হটস্টার’-এর চিফ অপারেশন অফিসার হুজেইফা কাপাডিয়া।

‘কারাগার’ দেখে মুগ্ধ হয়ে এই গুণী শিল্পীকে নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন তিনি।চঞ্চল চৌধুরীর অভিনয়ের ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি লিখেছেন, খুব শিগগিরই তার সঙ্গে কাস্টিং টেবিলে দেখা হবে। হুজেফা’কে ধন্যবাদ জানিয়ে সে পোস্ট শেয়ারও করেছেন চঞ্চল। আর সেখান থেকেই ভক্তদের ধারণা,

তবে কি বিশ্ব প্ল্যাটফর্মে হাজির হতে চলেছেন এই অভিনেতা।এ প্রসঙ্গে চঞ্চল চৌধুরী বলেন, ব্যাপারটি মুন্না ভাই ৩ কে নিয়ে না। তারা বাংলা ভাষায় বাংলাদেশের জন্য যে কন্টেন্টটি করবেন তাতে বাংলাদেশের আর্টিস্ট বা মুম্বাইয়ের আর্টিস্টরা থাকবেন। ওনারা চেষ্টা করছেন প্রথমও কাজটা রাজকুমার হিরানীকে দিয়ে করানোর।

এদিকে বিশ্বখ্যাত বিনোদন প্ল্যাটফর্ম নেটফ্লিক্সের আসন্ন গোয়েন্দা থ্রিলার সিনেমা ‘খুফিয়া’র প্রথম টিজার মুক্তি পেয়েছে। যেখানে দর্শকদের জন্য বড় চমক হিসেবে ছিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী আজমেরি হক বাঁধন। খুফিয়ার ৪৭ সেকেন্ডের ওই টিজারে বলিউডের খ্যাতিমান অভিনেত্রী টাবুর সাথে দেখা গেছে বাঁধনের ফার্স্টলুক।

জানা গেছে, বিশাল ভরদ্বাজ পরিচালিত খুফিয়ার গল্পটি সত্য ঘটনা থেকে অনুপ্রাণিত। গত বছর কান চলচ্চিত্র উৎসবে ‘রেহানা মরিয়ম নূর’ সিনেমার প্রদর্শনীতে বলিউড পরিচালক অনুরাগ কাশ্যপের সঙ্গে পরিচয় হয় বাঁধনের। সেখানেই প্রযোজক জেরেমী চুয়া বাঁধনকে বিশাল ভরদ্বাজের সিনেমার জন্য নির্বাচন করেন।

কিছুদিন আগেও টিভি স্যাটেলাইটের হাজার নিয়মের বেড়াজালে বাংলাদেশি নির্মাতা ও কলাকুশলীদের কাজ বিশ্বের আনাচে কানাচে পৌঁছাতে পারতো না। ওটিটি যুগ আসায় সেটি এখন অনেকটাই উন্মুক্ত। যে খবর আমাদের বিনোদন জগতের জন্য আশা জাগানিয়া। শাকিব খান থেকে জয়া আহসান সীমানার ওপারে পেয়েছেন ঈর্ষণীয় সাফল্য। এবার কি চঞ্চল-বাঁধন বিশ্ব প্লাটফর্মে সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারবে?