মুশফিক-মাহমুদ উল্লাহ কি স্বেচ্ছায় টি-টোয়েন্টি ছাড়বেন?

বাংলাদেশের ক্রিকেটের বিখ্যাত পঞ্চপাণ্ডবের অন্যতম দুই সদস্য মুশফিকুর রহিম এবং মাহমুদ উল্লাহ রিয়াদ। ব্যক্তিগত জীবনে তারা ভায়রা ভাই।

নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের ক্রিকেটকে তারা অনেক দিয়েছেন এবং এখনো দিয়ে যাচ্ছেন। তবে একটা সময় তো থামতেই হবে।অনেক ক্রিকেট বিশ্লেষকদের মতে,

অন্তত টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে এই দুজনের থামার সময় হয়েছে। এই ফরম্যাটে যেহেতু তারা পারফর্ম করতে পারছেন না, সেহেতু তাদের সসম্মানে বিদায় নেওয়াই ভালো।

ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত ফরম্যাট থেকে এই দুজনকে সরানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল সেই জিম্বাবুয়ে সফর থেকে। ওই সিরিজে মাহমুদ উল্লাহ এবং মুশফিককে ‘বিশ্রাম’ দেওয়া হয়।

অধিনায়ক করা হয় নুরুল হাসান সোহানকে। পরে নাটকীয়ভাবে শেষ ম্যাচে সুযোগ পান মাহমুদ উল্লাহ। কিন্তু নিজেকে প্রমাণ করতে পারেননি।

তার পরও দুজনই সুযোগ পান এশিয়া কাপের দলে। পারফরম্যান্স যথারীতি বাজে। আফগানিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে মুশফিক ৪ বলে ১ এবং মাহমুদ উল্লাহ করেন ২৭ বলে ২৫ রান।

এরপর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচটিতে মুশফিকের সংগ্রহ ছিল ৫ বলে ৪ রান। আর মাহমুদ উল্লাহ ২২ বলে ২৭ রান করেন। এশিয়া কাপে চরম ব্যর্থতার পর বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি দলে পরিবর্তনের ডাক এসেছে।

সামনেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। বিসিবির একটি সূত্রমতে, বিশ্বকাপ দল থেকে এই দুই সিনিয়র ছাঁটাই হতে পারেন। মূলত তারুণ্যনির্ভর টি-টোয়েন্টি দল গড়বে বিসিবি।

তাই ক্রিকেট বিশ্লেষকদের অনেকেই মনে করছেন, দুই ভায়রা ভাই সসম্মানে টি-টোয়েন্টি থেকে বিদায় নিলেই ভালো। দেশের ক্রিকেটে যাদের এত অবদান, দল থেকে বাদ পড়ে ক্যারিয়ার শেষ করাটা তাদের শোভা পায় না।