আফগানদের হারিয়ে এশিয়া কাপের ফাইনালে উঠে যাদেরকে প্রশংসায় ভাসালেন অধিনায়ক বাবর

নাসিম শাহের অবিশ্বাস্য ফিনিশিং ও শাদাব খানের ব্যাটে বলে দুর্দান্ত পারফর্মেন্সে আফগানিস্তান কে ১ উইকেট হারায় পাকিস্তান।

তাতে ফাইনাল নিশ্চিত করে তারা এক ম্যাচ হাতে রেখেই।টসে জিতে আফগানিস্তানকে ব্যাটিং করতে স্বাগত জানায় পাকিস্তান শুরুটা তুলনামূলক ভালোভাবেই করে আফগানিস্তান।

তা ধরে রাখতে পারেনি তারা। মূলত পাকিস্তানের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে সামনে দাঁড়াতেই পারেনি আফগানিস্তান। সেদিকে রশিদ খানের ১৮ রানের উপর ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভার ব্যাটিং করে তারা সংগ্রহ করে মাত্র ১২৯ রান।

১৩০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই খেই হারিয়ে ফেলে পাকিস্তান। প্রথম তিন ম্যাচে ব্যর্থতার পরে এদিন তো কোন রানই করতে পারেননি পাকিস্তানের অধিনায়ক।

শূন্য রানে তাকে ফিরিয়ে দারুণ শুরু এনে দেয় ফারুকী।বাবর আজম কে ফেরানোর পর দ্রুত ফাখার জামান কেও ফিরিয়ে দেয় রান আউট এর ফাঁদে ফেলে।

ধাক্কা সামলে এক সময় তাদের অবস্থা হয় ৮৬ রানে ৩ উইকেট সেখান থেকে ব্যাটিং ধস নামে তাদের। যদিও শেষ ওভারে দুই ছয়ে পাকিস্তানকে এক উইকেটের জয় এনে দেয় নাসিম শাহ।

তাতে ফাইনাল নিশ্চিত করে পাকিস্তান।ম্যাচ জয়ের পরে দলের খেলোয়ারদেরকে প্রশংসায় ভাসাতে ভোলেননি দলের অধিনায়ক বাবর আজম। প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়দের কেও প্রশংসায় ভাসান তিনি।’

অতীতকেও স্মরণ করেন তিনি।বাবর আজম বলেন, সত্যি বলতে আমরা অনেক নার্ভাস ছিলাম। ড্রেসিংরুমে আমরা বারবার যাতায়াত করছিলাম। তবে নাসিম শাহ দারুণভাবে শেষ করেছে।

শারজাহর মাটিতে এমনিতেই রান কম হয় তার উপর মুজিব রশিদ খান দুজন অসাধারণ বোলার, তাদের মোকাবেলা করা অনেক কষ্টসাধ্য। নাসিম শাহ এর এই ৬ টা আমাকে জাভেদ মিয়াঁদাদের সেই বিখ্যাত ৬ এর কথা মনে করিয়ে দেয়।উল্লেখ্য এই জয়ের ফলে ফাইনালে পৌঁছে গেছে পাকিস্তান যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ শ্রীলংকা। ২০১৪ সালে শেষবার তারা মুখোমুখি হয় এশিয়া কাপের ফাইনালে।