মেন্টর হিসেবে সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি

সদ্য ঘোষিত টি২০ দল সামনে ভালো করবে এই প্রত্যাশায় বিসিবি বেশ কিছু পরিবর্তন এনেছে।কোচ রাসেল ডমিঙ্গো কে সরিয়ে শ্রিধরন শ্রিরামকে দলের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে পরামর্শক হিসেবে। তবে তার প্রথম পরিক্ষা এশিয়া কাপে ভালো করতে পারেনি বাংলাদেশে

হেরছে আফগানিস্তান আর শ্রীলঙ্কার কাছে। শতভাগ পরাজয় নিয়ে খালি হাতে দেশে ফিরেছে দল। যার ফলে দল থেকে বাদ পরেন সাবেক অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। মুশফিকও ছেড়েছে ছোট ফরম্যাট।

দলে আছে নতুন আর তরুন খেলোয়ার। বিসিবি চেষ্টা করছে ভিন্ন কিছু করার। কিন্তু তারা একবারও খেলোয়াড়দের সমস্যা কোথায় তা ধরতে পারেনি।

অথবা বিদেশি কোচরা খেলোয়াড়দের কে বুঝাতে পারেনি। আর এই সমস্যার একটা সমাধান হতে পারতেন টাইগারদের সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা।

২০১৫-২০২০ সালের দলটার দিকে একবার তাকালেই বুঝা যাবে সব কিছু। ওই সময় মাশরাফির নেতৃত্বে বাংলাদেশ দলটাকে খুব চনমনে লাগছিলো। সবাই দল হিসেবেই খেলতো।মাশরাফিও সবার খারাপ ভালো সব সময়ে একজন নেতা হয়ে বড় ভাই হয়ে তাদের পাশে থাকতেন।

সবাই তাদের সমস্যার কথা মন খুলে নেতা মাশরাফি কে বলতেন। মাশরাফিও সমস্যা বুঝে তাদের সমাধানের একটা পথ বের করতেন।কিন্তু এই সময়ে এসে খেলোয়াড়দের সাথে কোচ বা অধিনায়কের কোথায় একটা দুরত্ব লক্ষ্য করা যাচ্ছে

তাই বিসিবি মাশরাফিকে মেন্টর এর ভুমিকায় একবার চেষ্টা করে দেখতে পারতো। মাশরাফির নিজের হাতে গড়া দলটার কোথায় সমস্যা তা হয়তো তিনিই ভালো বলতে পারতেন। সমস্যা সমাধানে তার চেয়ে ভালো আর কে হতে পারেন।

তবে তিনি এমপি। সময় বের করতে পারবেন কিনা তাও একটা বিষয়। কিন্তু তাকে অফার করে দেখা যেতো। দলের এই খারাপ সময়ে হয়তো দুরে থাকতেন না সবার প্রিয় ম্যাস।

ভারত তাদের সাবেক অধিনায়ক রাহুল দ্রাবিড় কে কোচ করে এনেছে। ভালো মন্দে সব সময় পাশে পাচ্ছে বোর্ড সভাপতি দাদা সৌরভ গাংগুলিকে। পাকিস্তান তাদের সাবেক স্পিনার সাকলাইন মুসতাক কে কোচ করেছে দলটাও ভালো করছে।

আর শ্রিলংকা তো তাদের পুরো কোচিং প্যানেলই বদলে ফেলেছে। তার ফলও পেয়েছে হাতেনাতেই। সব ফেবারিটদের হারিয়ে ঘরে তুলেছে এশিয়া কাপ।

তাই বিসিবির উচিত মাশরাফিকে নিয়ে চিন্তা করা। রোগ না জেনে চিকিৎসা করলে যেমন কোনো কাজ হয় না তেমনি খেলোয়াড়দের সমস্যা না বুঝে বিদেশি কোচ নিয়োগ দিলেও ভালো ফল আসবে না। এই সমস্যা সমাধানে মাশরাফিই হতে পারের একমাত্র সমাধান।