হাইভোল্টেজ ম্যাচে আবারও সিলেটের বিপক্ষে হেরে যা বললেন বরিশালের অধিনায়ক সাকিব

বিপিএলে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই মাশরাফির সিলেটের বিপক্ষে হেরেছিল সাকিব আল হাসানের বরিশাল। এরপর টানা ৫ ম্যাচ জিতেছে দলটি।

অন্যদিকে টানা ৫ ম্যাচ জিতে ষষ্ঠ ম্যাচে কুমিল্লার বিপক্ষে হারে মাশরাফিরা। অবশেষ দুই দলের দ্বিতীয় দেখায় আবারও সাকিবের বরিশালকে হারাল মাশরাফি সিলেট।

মঙ্গলবার মিরপুরে হাইভোল্টেজ ম্যাচে সাকিবের বরিশালকে ২ রানে হারায় সিলেট। এ জয়ে ফলে ৭ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে সবার উপরে মাশরাফির দল।

সমান খেলায় ১০ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে বরিশাল। এ দিন সিলেট প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৭৩ তোলে। জবাবে বরিশাল ৮ উইকেটে ১৭১ রানে থেমে য়ায়।

টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই ওপেনার জাকিরকে হারায় সিলেট। দলীয় ১৫ রানে সেরা তিন ব্যাটার জাকির শুন্য, তৌহিদ হৃদয় ৪ ও মুশফিক শূন্য রানে বিদায় নেন।

দলের বিপদে চতুর্থ উইকেটে দারুণ জুটি গড়েন ওপেনার নাজমুল হোসেন শান্ত ও টম। দু-জনে মিলে ৭১ বলে ৮১ রানের জুটি গড়েন।টম ৩০ বলে ব্যক্তিগত ৪০ রান করে বিদায় নিলেও শান্ত ছিলেন অশান্ত।

পেরেরাকে সাথে নিয়ে দলকে এগিয়ে নেন। পেরেরা ১৬ বলে ২১ রান করে বিদায় নিলেও শান্ত ৬৬ বলে ১১টি বাউন্ডারি ও এক ছক্কায় ৮৯ রানের অসাধারণ ইনিংস উপহার দিয়ে শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন।

বল হাতে সিলেটের পক্ষে ওয়াশিম ৪ ওভারে ৩৪ রানে নেন তিন উইকেট।জবাবে ১৭৪ রানের টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নেমে নতুন জীবন পেয়ে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেন বরিশালের দুই ওপেনার।

ওপেনিং জুটিতে ৪.৫ ওভারে ৪২ রান তোলে তারা। সাইফ ১৯ বলে ৩১ রান করে নিলে এনামুল হক বিজয় ৩ রান করে ফেরেন। এরপর ইব্রাহিম বরিশালের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪২ রান করে বিদায় নেন।

এছাড়া দারুণ ফর্মে থাকা সাকিব ১৮ বলে ২৯ রান করে ফেরেন। ১৩৩ রানে ১৭ ওভারে ৫ উইকেট হারায় তারা।শেষ দিকে করিম জানাত ২১ করে বিদায় নেন।

শেষ ওভারে জিততে বরিশালে দরকার ছিল ১৫ রান। তখনও উইকেটে ঝড়ো ব্যাটার ইফতিখার আহমেদ ও মিরাজ। শেষ ওভারে বোলিংয়ে এসে দুই উইকেট তুলে নেন রেজাউল রহমান রাজা।

ফলে জিততে শেষ বলে প্রয়াজন ছিল ৭ রান। কিন্তু শেষ বলে ৪ রান নিলে জয় পায় সিলেট।বিপিএল পরপর দুইবার মাশরাফিদের বিপক্ষে হেরে সাকিব বলেন,‘এরকম একটা টাইট খেলায় আপনি অনেক কিছু দেখতে পারেন।

পার্থক্যটা ছিল ফিল্ডিংয়ে, যদি দেখেন তাদের গ্রাউন্ড ফিল্ডিং থেকে আমাদের গ্রাউন্ড ফিল্ডিং, সেখানেই আমরা হেরে গেছি। আমি সেটা করতে চেয়েছিলাম (একজন পেসার আনতে) কিন্তু মাঝখানে দুই বাঁ হাতি (শান্তো এবং মুরস) নিয়ে আমি অফস্পিনার নিয়ে গিয়েছিলাম।

মাঝখানে কখনই সঠিক সিদ্ধান্ত বা ভুল সিদ্ধান্ত নেই, আপনি খেলাটি শেষ করার পরেই আপনি বিশ্লেষণ করতে পারবেন এটি সঠিক না ভুল।