১৮ রানে ৩ উইকেট মুস্তাফিজের কলকাতাকে হারিয়ে যাদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ অধিনায়ক ঋষভ পন্ত

দুর্দান্ত বোলিং করেছে মুস্তাফিজুর রহমান, তাতে ফিরেছে দিল্লির সম্মান। কাটার মাস্টারের ঘুর্নি ও কুলদীপ যাদবের জাদুতে কলকাতাকে আবারও হারিয়েছে দিল্লি ক্যাপিটালস।টসে জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন দিল্লি ক্যাপিটালস এর অধিনায়ক রিশাব পান্ট।

প্রথম ওভারে তিনি বল তুলে দেন দলের সেরা বোলার মুস্তাফিজুর রহমানের হাতে। অধিনায়ক কে হতাশ করেননি কাটার মাস্টার মুখোমুখি হন অ্যারন ফিঞ্চ ও ভেংকাটেশ আইয়ারের। প্রথম ওভারে তিনি একটি অতিরিক্ত সহ খরচ করেন মাত্র দুই রান।

পরিবর্তিত একাদশে দ্বিতীয় ওভারে অ্যারন ফিঞ্চ কে ফেরান চেতান শাকারিয়া, সাত বলে তিন রান করেন তিনি। প্রথম উইকেট থেকেই চাপ পড়তে শুরু করে কলকাতার ইনিংসের উপর।

দলীয় ২২ রানে হারায় নিজেদের দ্বিতীয় উইকেট তুলে নেন ভেঙ্কাটেশ আইয়ার কে। এরপর দিল্লির বোলিং এ দেখা মেলে কুলদীপ যাদব এর যাদু। পাওয়ার প্লে তে আরও একবার বোলিং করতে এসে ফিজ খরচ করেন মাত্র ৫ রান।

একসময় তাদের তাতে সংগ্রহ দাঁড়ায় ৮৩ রান ৬ উইকেট এর বিনিময়ে। তবে সেখান থেকে তাদের সম্মানজনক সংগ্রহ এনে দেন নিতিশ রানা। ডেথ ওভারে অসাধারণ বোলিং করেন মুস্তাফিজুর রহমান। প্রথম দুই ওভারে ৭ রান দেয়ার পর অবশ্য নিজের তৃতীয় ওভারে খরচ করেন দশ রান।

তবে ইনিংসের ও নিজের শেষ ওভারে বোলিং করতে এসে মাত্র ১ রান খরচে ৩ উইকেট তুলে নেন কাটার মাস্টার, সেখানে ছিল দলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক নিতিশ রানার উইকেট যার ব্যাটে আসে 57 রান। তাতে ৯ উইকেট হারিয়ে কলকাতা সংগ্রহ করে ১৪৬ রান। মুস্তাফিজ মাত্র ১৮ রান খরচ করে তুলে নেন ৩ উইকেট।

১৪৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ইনিংসের প্রথম বলেই পৃথ্বী শ’কে বিদায় করেন উমেশ যাদব। মিচেল মার্শ এসে শুরু করেন দারুন আক্রমণাত্মক ভাবে, তবে তার ইনিংস বড় হতে দেয়নি হার্শিত রানা। সাত বলে ১৩ রান করে বিদায় নেন তিনি।

তবে দলকে জয়ের পথে রাখেন ডেভিড ওয়ার্নার। আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন এই পকেট সাইজ ডায়নামাইট, দলীয় ৮২ রানে যখন তিনি ৪২ করে বিদায় নেন ততক্ষণে দলের পজিশন জয়ের দিকেই ছিল। এরপর দলের জয়ে বাকি কাজটুকু সারেন রোভমান পাওয়েল ও অক্ষর প্যাটেল। শেষ পর্যন্ত এক ওভার ও ৪ উইকেট থাকতে জয় পায় দিল্লি ক্যাপিটালস।

ম্যাচ শেষে দিল্লীর অধিনায়ক রিশাভ প্যান্ট  জানান, ” আমারা ভেবছিলাম ম্যাচটি হেরে যাব কারণ আমারা অনেকগুলো উইকেট হারিয়েছিলাম, তবে একই সাথে এটাও ভেবেছিলাম আমরা যদি খেলাটা ভালোভাবে খেলতে পারি তাহলে আমরা অবশ্যই জিতব। আমরা পয়েন্ট  টেবিল নিয়ে একদমই ভাবছি নাহ, আমাদের একাদশে এই মুহুর্তে খলিল নেই ইঞ্জুরির কারণে যার জন্য আমরা সেরা একাদশ নিয়ে মাঠে নামতে পারিনি। আমাদের যখন উইকেট সংকট ছিল তখন পাওয়েল তার সেরাটা দিয়েছে এবং সফল হয়েছে।